কিশোরগঞ্জের বাণিজ্যিক নাগরী হিসাবে প্রসিদ্ধ নান্দনিক ভৈরব পৌরসভার টানা ১৫ বছর তিন মেয়াদে সফল মেয়র ও ভৈরব উপজেলা আওয়ামী লীগের টানা চার বার(১৯৭৭-৯৭) সাধারণ সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছ(৮৩)না ফেরার দেশে চলে গেলেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)কারণে সোমবার দুপুর১২ টায় ভৈরব পৌর শহরের কাদির ব্যাপারী’র বাড়িতে তাঁর নিজ বাস ভবনে বার্ধক্যজনিত,কারণে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।কিংবদন্তি এই রাজনীবিদের মৃত্যুর খবরটি জুয়েল স্বাধীন বাংলা তে নিশ্চিত করেছেন তার ভাতিজা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরহাদ আহমেদ,সাহেবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তার ভাতিজা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরহাদ আহমেদ বলেন,আমার চাচা ছিলেন,নির্লোভ ও সততাবাদী আর্দশের একজন মানুষ,ফটো গ্যালারি
তিনি ১৯৯৯ সাল থেকে দুই মেয়াদে ২০০৪ সর্বশেষ ২০১১ সাল পর্যন্ত ১৫ বছর মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন অ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছ দায়িত্ব ক্ষেত্রে কর্মজীবনে তিনি দীর্ঘ সময়ে একজন দক্ষ প্রশাসক ও বর্ষিয়ান পরীক্ষিত রাজনীতিবিদ হিসেবে দলমতের উর্ধ্বে থেকে জনকল্যাণে কাজ করেছিলেন তিনি,অ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছ কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌর শহরের কাদির ব্যাপারীর বাড়ির বাড়ির প্রয়াত নোয়াজ মিয়া ও হালিমা বেগম দম্পতির ছেলে,তার বাবা ছিলেন একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী,বড় ভাই মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মুজীব বাহিনীর প্রাধান প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফয়সল আলমের হাত ধরে ছাত্র অবস্থায় অ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাসের রাজনৈতিক জীবনের হাতেখড়ি, অতিরিক্ত রাজনৈতিক ব্যস্ততা ও মতাদর্শে প্রবল মনোনিবেশের ফলে এক সময় জীবনসঙ্গীকে সময় না দেওয়া সেও ছেড়ে চলে যায় বাকি জীবন ভৈরবের জনকল্যাণে সার্বিক উন্নয়ন ও বিভিন্ন বই-পুস্তক পড়ে কাটিয়েছেন এই রাজনীতিবীদ,সোমবার বাদ মাগরিব ভৈরবপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা নামাজ শেষে ভৈরব পৌর কবরস্থানে বাবা-মা ও বড় ভাইয়ের পাশে চির নিন্দ্রায় শায়িত করা হয়েছে তাকে,পারিবারিক ও রাজনৈতিক সূত্র জানায়, অ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছ ব্যক্তি জীবনে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। দীর্ঘসময় ভৈরব উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সর্বশেষ কমিটির কার্য নির্বাহী সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করে ছিলেন,ভৈরবের সাবেক মেয়রের মৃত্যুতে ১৬৭ -কিশোরগঞ্জ,৬ ভৈরব কুলিয়ারচর নির্বাচনী আসনের সংসদ সদস্য ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ শরীফুল আলম এবং ভৈরব উপজেলা বিএনপি সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলাম সাবেক মেয়র ও বিএনপি নেতা হাজী মোহাম্মদ শাহিনসহ,সাংবাদিক সোহেল আহমেদ সম্পাদক ও প্রকাশক
দৈনিক লাল সবুজের দেশ ও অপরাধ জগত,ও বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক সাংস্কৃতিক পেশাজীবীসহ সর্বস্থরের মানুষজন শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।