ভৈরব পতিনিধিঃ
কিশোরগঞ্জের বন্দরনগরী ভৈরবে মাদকবিরোধী ধারাবাহিক অভিযান,অংশ হিসেবে চন্ডিবের পলতাকান্দা,এলাকায় অভিযান চালিয়ে১৪ কেজি গাঁজা করেছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দপরে উদ্ধার করা গাঁজা ঘটনাস্থলেই পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়,স্থানীয়,ভৈরব উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভৈরব চুরি-ছিনতাই-ডাকাতি নির্মূল প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আরিফুল ইসলাম সাহেবের নেতৃত্বে,যুবদল ছাত্রদল স্থানীয় নেতাকর্মীরা এ অভিযান পরিচালনা করেন,ভৈরব পৌর শহরের চন্ডিবের পলতাকান্দা এলাকার রতন মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গাঁজাগুলো উদ্ধার করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন,অভিযানের সময় মাদকবিরোধীর আরিফুল ইসলাম বলেন,মাদক ছাড়াও না হলে ভৈরব ছাড়া ও এই স্লোগানকে সামনে রেখে ভৈরবের বিভিন্ন এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে,তিনি বলেন,মাদক যুবসমাজ,পরিবার ও সামাজিক পরিবেশের জন্য বড় ধরনের হুমকি,তাই শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হতে হবে,স্থানীয়দের,কয়েকজন,জানান,ভৈরবের,বিভিন্ন,এলাকায় মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদার হলে মাদক কারবার ও মাদকের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব।তাদের মতে,আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,সামাজিক সংগঠনও সাধারণ নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজনএদিকে সাম্প্রতিক সময়ে ভৈরবের বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী সামাজিক তৎপরতা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের কেউ কেউ মনে করছেন,মাদক ছাড়াও,না হলে ভৈরব ছাড়াওএই স্লোগানকে আরও বিস্তৃত করে মাদকের বিরুদ্ধে সারাদেশে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা যেতে পারে।জাতীয় পর্যায়েও মাদকবিরোধী অবস্থানের কথা জানিয়েছে সরকার।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৫ জুন আন্তর্জাতিক,মাদকদ্রব্যের,অপব্যবহার,ওঅবৈধ,পাচারবিরোধী দিবস উপলক্ষে দেওয়া বার্তায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলাকে সমৃদ্ধ ও সুস্থ জাতি গঠনের জন্য অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন এবং মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থাওসামাজিক,উদ্যোগের,কথা,বলেন,তবে,পলতাকান্দায় ১৪কেজি গাঁজা উদ্ধারের ঘটনাটি সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য,জব্দ তালিকা বা মামলা সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেলে অভিযানের বিষয়ে আরও বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্য জানা যাবে।আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে মাদকবিরোধী যেকোনো অভিযান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে পরিচালনাএবংউদ্ধারকৃত আলামত যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় হস্তান্তর করার বিষয়টিওগুরুত্বপূর্ণ।ভৈরববাসীর প্রত্যাশা,মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধের পাশাপাশি প্রশাসনওআইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান আরও জোরদার হবেএবং মাদকের সঙ্গে জড়িতদের রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইনের আওতায় আনা হবে।