ভৈরব,প্রতিনিধিঃ
সমাজের অন্ধকার গলিতে যখন অনেকেই মুখ ফিরিয়ে নেয়, তখন কিছু মানুষ নীরবে প্রদীপের মতো জ্বলে ওঠেন—নিজের আলোয় অন্যের পথ আলোকিত করেন। ভৈরব পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের পরিচিত মুখ মোঃ রাজু সরকার তেমনই একজন মানুষ, যিনি মানবতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং জনসেবার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
কমলপুর সরকার বাড়ির সন্তান, পিতা নুরল্লাহ সরকার, পেশায় ব্যবসায়ী এবং মেসার্স সরকার ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী রাজু সরকার দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিবেদিত রেখেছেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, কিশোরগঞ্জ জেলা আঞ্চলিক শাখার প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে ভৈরব পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে বিভিন্ন মানবিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে সরাসরি সম্পৃক্ত থেকে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত পবিত্র ঈদুল ফিতর থেকেই তিনি আসন্ন পৌর নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে এলাকাবাসীর সমর্থন কামনা করছেন। এ উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার পাশাপাশি ওয়ার্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন টানানো হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা–সিলেট ও ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশের কমলপুর নিউ টাউন মোড়, কমলপুর মোসলিমের মোড় এবং ভৈরব উপজেলা পরিষদের সামনে আমলাপাড়া মোড় এলাকায় তার প্রচারণা চোখে পড়ার মতো।
স্থানীয় বাসিন্দা কুলসুম বেগম বলেন,
“রাজু ভাই আমাদের যুব সমাজের অহংকার। তিনি বিপদের প্রকৃত বন্ধু। আমার একটি পারিবারিক কলহ মানবাধিকার কমিশনের মাধ্যমে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সমাধান করে দিয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন,
“ব্যবসায়িক জীবনেও তিনি স্বচ্ছতা বজায় রেখেছেন। একজন প্রকৃত মানবিক ও দানশীল মানুষ হিসেবে এলাকার যুব সমাজের কাছে তিনি অনুকরণীয়।”
এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, রাজু সরকার শুধু প্রচারণাতেই সীমাবদ্ধ নন; বরং এলাকার গরিব, অসহায় ও দুঃখী মানুষের বিয়ে, মৃত্যু, জানাজা, চিকিৎসা সহায়তা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সবসময় পাশে থাকেন। কমলপুর, আমলাপাড়া ও নিউ টাউন এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে তার উপস্থিতি যেন এক নির্ভরতার নাম।
ধর্মীয় শিক্ষায়ও তিনি সমৃদ্ধ। তিনি আলিয়া মাদ্রাসা থেকে আলিম পাশ করার পাশাপাশি কওমি মাদ্রাসা থেকে হেফজ বিভাগ সম্পন্ন করেছেন, যা তার ব্যক্তিত্বে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জনসেবামূলক কার্যক্রম, মানবিক উপস্থিতি এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় রাজু সরকার ইতোমধ্যেই ৪নং ওয়ার্ডের মানুষের হৃদয়ে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। অনেকেই তাকে আগামী দিনের একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখছেন।
নদীর মতো যে মানুষ নিজের গতি থামায় না, বরং চারপাশের তৃষ্ণা মেটাতে অবিরাম বয়ে চলে—রাজু সরকার যেন তেমনই এক জনসেবার স্রোতধারা, যার পথচলা এখন এলাকার মানুষের আশার প্রতীক।