ভৈরব কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবের শ্রীনগর ইউনিয়ন ভবানীপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ফেসবুক লাইভে গালাগালি গালমন্দের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের
ঝগড়ায় এক ব্যক্তির চোখের ভিতর দিয়ে টেটা ঢুকে মাথার ওই পাশ দিয়ে বের হয়েছে। ভবানীপুর গ্রামের চেয়ারম্যান বাড়ির মিজান মিয়ার ছেলে পাভেল বয়স (২৪)যুবক গুরুতর আহত হয়।
আগে ৭ মে ও ৮মে ফেসবুকে লেখা লেখি ও হুমকি দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়
প্রথম দফায় ফেসবুকে লেখা লেখি, পরে হুমকি দিয়ে সংঘর্ষের পর এবার তৃতীয় দফায় ফেসবুকে লাইভে গালাগালির জেরে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারী পুরুষসহ আহত হয়েছে ৪০ জন। এছাড়াও ৪-৫টি দোকানপাট ও বাড়িঘর ভাঙচুরসহ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
আজ (১৬ মে) সকালে শনিবার উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের ভবানীপুরের সোলাইমানপুর এলাকায় মেরাজ মেম্বারের সাথে ভবানীপুর নামাপাড়ার বাদশা মেম্বার গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনায় ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ আতাউর রহমান আকুন্দে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনেন
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন যাবত সোলাইমানপুরে একই বংশের মধু মুন্সি বাড়ির সাথে দিল মোহাম্মদের বাড়ির দ্বন্দ্ব চলছিল।
সংঘর্ষ আহতদের মধ্যে হৃদয় (৩০), নৌরিন বেগম (৩২), পারভেজ মিয়া (৩০), সুবর্ণা বেগম (২৪), দুধ মিয়া (৩০), সাগর মিয়া (৩০) জনি মিয়া (২২), হাসান মিয়া (১৭), নাইম ইসলাম (২৪), জীবন মিয়া (২০), অপু মিয়া (২২), বাবুল মিয়া (৫০), হৃদয় মিয়া (২৫) ও ইমরান মিয়া (২৬) ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে পারভেজ মিয়া ও সুবর্ণা বেগমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও বাদশা মেম্বার গ্রুপের পাবেল (২২) ও বিজয় (১৯) কে ঢাকায় পাঠানোর খবর পাওয়া গেছে। ইমরান মিয়া, দানিস মিয়া, রাসিদ মিয়া, স্বপন মিয়া, মোমেন মিয়া, কবির মিয়া ও সোহাগ মিয়াসহ উভয় পক্ষের ৪০ জন আহত হয়েছে। তারা সবাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ভৈরবের বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
শনিবার ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় একাধিক আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আজকের সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।