ভৈরব প্রতিনিধ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ভুয়া জন্ম সনদ দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র বানাতে আসে এক নারী ও পুরুষ তাদেরকে দেখে সন্দেহ হয় । পরে নির্বাচন অফিসারপ্রলয় কুমার সাহা, ভৈরব থানায় বিষয়টি জানান এক জন নারী রোহিঙ্গাও বাংলাদেশী১ পুরুষ আটক করেছে, ভৈরব থানা পুলিশ। ভৈরব উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে তাদের আটক করা হয়।
এ তথ্য নিশ্চিত করেন ভৈরব থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সফিকুল ইসলাম। এক নারী রোহিঙ্গা এক বাংলাদেশী পুরুষকে আটক করে।
আটককৃতরা হলেন, কক্সবাজার জেলার হামিদাপাড়া পাহাড়তলী এলাকার মো. সালেহের স্ত্রী হামিদা বেগম (২৮) ও একই জেলার রামু এলাকার রফিক আহমেদ এর ছেলে মো. এরশাদ (২০)।
নির্বাচন অফিসার প্রলয় কুমার সাহা তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি দেখে সন্দেহ হলে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। এসময় তাদের কোন কথা মিল না পাওয়াই। পরে থানা পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে দুইজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাই।
এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাচন অফিসার প্রলয় কুমার সাহা বলেন, পৌর শহরের ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মমিনুল হক রাজুর স্বাক্ষরিত একটি ভুয়া জন্ম নিবন্ধন এনে এনআইডি কার্ড আবেদন করতে আসেন হামিদা বেগম। তার কথা বার্তা অসংলগ্ন হওয়ায় তার বিষয়ে জানতে সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলরকে অবগত করি।
কাউন্সিলর তাদেরকে চেনেন না জানান। সার্বিক তদন্ত করে জানতে পারে হামিদা বেগম একজন রোহিঙ্গা। তার সহযোগীও নিজের পরিচয় ঠিক ভাবে দিতে পারেনি। পরে তাদেরকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
ভৈরব উপজেলা আওয়ামী লীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর, বলেন বাংলাদেশের যাতে রোহিঙ্গা না আসতে পারে সেদিকে সকলকে সতর্ক থাকার জন্য বলেন,
৭ নং শ্রীনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ হারুন আল রশিদ ভুঁইয়া বি. এস.সি বলেন এ ব্যাপারে সকলকেই সচেতন থাকা উচিত।
এ বিষয়ে ভৈরব থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক ভাবে জিজ্ঞাসাবাদে হামিদা বেগম একজন রোহিঙ্গা বলে জানা গেছে। তার সাথে থাকা সহযোগী মো. এরশাদও রোহিঙ্গা তবে সে দীর্ঘদিন যাবত কক্সবাজার এলাকায় বসবাস করছে। তারা দুইজন নির্বাচন অফিসে ভুয়া কাগজে ভোটার আইডি কার্ড বানাতে এসেছিল। তাদের বিরুদ্ধে জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধন আইন ২০১০ এর ১৪/১৮ ধারায় মামলা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকালে তাদের কিশোরগঞ্জ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।