কিশোরগঞ্জ ভৈরব প্রতিনিধ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৭ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষকারীরা
গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকে রাত সাড়ে ২টা পর্যন্ত ভৈরব রেলস্টেশন ও আশপাশের এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর চালায়। এই ঘটনায় ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ রেলপথে ৫ ঘণ্টা ধরে রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকার কথা জানা গেছে।
কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে দুই এলাকার বাসিন্দাদের সংঘর্ষের ঘটনায় বৃহস্পতিবার প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।পরে দিবাগত রাত ২টাদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে ট্রেন চলাচল শুরু হয়
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,এক সপ্তাহ আগে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র জেরে গতকাল রাত ৮টার দিকে পৌর শহরের জগন্নাথপুর ও পঞ্চবটি এলাকার লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। ভৈরব রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে এ সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ৭পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণকক্ষ,রেলওয়ে থানা ও প্ল্যাটফর্মের ভেতরের কয়েকটি দোকান।পর্যন্ত কোনো ট্রেন ভৈরব রেলস্টেশন অতিক্রম করতে পারেনি। এতে ঢাকা–চট্টগ্রাম,ঢাকা–সিলেট,ঢাকা–নোয়াখালী,ভৈরব–কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহ–চট্টগ্রাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে র্যাব,পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান চালান। দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তাঁরা পুরো প্ল্যাটফর্মের নিয়ন্ত্রণ নেন। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে আহত হন ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ, জ্যেষ্ঠ উপপরিদর্শক (এসআই) এমদাদুল কবির, ভৈরব রেলওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ, উপপরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম, কনস্টেবল সারোয়ার আহমেদ ও আরএনবির হাবিলদার মুছা মিয়া। তাঁরা পাথরের আঘাতে আহত হন।
ভৈরবের স্টেশনমাস্টার মো.ইউছুফ বলেন, ফুটবল খেলার বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষকারীরা রেলস্টেশনকে রণক্ষেত্রে পরিণত করে এবং বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালায়।