ভৈরব প্রতিনিধ
গত ৫ আগস্ট কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানা ও ভৈরব রেলওয়ে থানায় হামলার সময় লুণ্ঠিত অস্ত্রগুলোর মধ্যে অস্ত্র, গুলি ও ম্যাগাজিনসহ পুলিশের ব্যবহৃত অন্যান্য মালামাল উদ্ধার করে পুলিশকে বুঝিয়ে দিয়েছে সেনাবাহিনী।
আজ ১৭ আগস্ট শনিবার দুপুরে সেনাবাহিনীর ভৈরব ক্যাম্পে আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ত্র ও গুলিসহ অন্যান্য মালামাল ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম ও ভৈরব রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম সিকদার এর কাছে হস্তান্তর করেন ভৈরব ক্যাম্পের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল ফারহানা আফরীন, অপারেশন কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ সানজেদুল ইসলাম,অপারেশন সহকারী কমান্ডারক্যাপ্টেন মোহাম্মদ রায়হান রেজা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভৈরব থানা ও ভৈরব রেলওয়ে থানায় হামলার সময় হামলাকারীরা দুটি থানা থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায় এবং ঘটনার পর থেকে সেনাবাহিনী, ছাত্র সমাজসহ স্থানীয় লোকজন বিভিন্ন মাধ্যমে লুণ্ঠিত অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে। পরবর্তীতে অস্ত্রগুলো সেনাবাহিনীর হেফাজতে রাখা হয়।
ভৈরব থানার, দুটি থানা থেকে লুণ্ঠিত অস্ত্রগুলোর মধ্যে প্রায় বেশীরভাগ অস্ত্র ও গুলি ইতোমধ্যে উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী ও ছাত্রসমাজ ও স্থানীয়রা। উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে সেনাবাহিনী। বাকি অস্ত্রগুলো স্ব-স্ব থানায় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কাছে জমা দিতে সর্বসাধারণকে অনুরোধ করেছেন পুলিশের এ কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, গত সোমবার (৫ আগস্ট) বিকালে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর ভৈরবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে আনন্দ মিছিল করে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। বিকাল ৫টার দিকে আনন্দ মিছিল থেকে ভৈরব থানাকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে থানায় হামলার চেষ্টা চালায় একদল দুর্বৃত্ত। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা থানার ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করে এবং পুলিশের কাছ থেকে অস্ত্র কেড়ে নেয় এবং ব্যাপক লুটপাট করে।