ভৈরব প্রতিনিধঃ
ভৈরবের শিক্ষার্থীরাও শহর সংস্কারে নানা, পদক্ষেপ গ্রহণ করে। গতকাল সেনাবাহিনী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী ভূমি কমিশনারের সাথে পরিকল্পনার পর আজই তাঁরা কাজ শুরু করে। এক্ষেত্রে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বিএনসিসি, রেড ক্রিসেন্ট, ইসলামি আন্দোলনসহ বিভিন্ন সংগঠন সহযোগিতা করেন। দূর্জয় মোড়ে বিভিন্ন বাস ও সিএনজি স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি বন্ধ, ভৈরব বাজারে চাঁদাবাজি বন্ধ,ভৈরব থানার এবং, পৌর পার্ক, মহাসড়ক পরিচ্ছন্নতায় ভৈরবের শিক্ষার্থীসমাজ সরাসরি ভূমিকা রাখেন। ভৈরবের সহকারী ভূমি কমিশনার এসময় শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন এলাকা ও স্থাপনা পরিদর্শন করেন।
সকালে দূর্জয় মোড়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়। এসময় বিভিন্ন এলাকা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বক্তব্য রাখেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সিহাব উদ্দিন ও,তুহিন জুয়েল স্বাধীন বাংলাকে বলেন “প্রতিটি শিক্ষার্থী আমাদের ভাই-বোন। সবাই মিলে আধুনিক সুখী ভৈরব গড়ার প্রত্যয়ে আমরা কাজ করে যাব। এক্ষেত্রে যেকোনো বাঁধা ও অপশক্তি প্রতিহত করার সামর্থ্য আমাদের আছে।”
ভৈরবের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৈষম্যহীন,সুখী ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ভৈরব গড়ে তোলার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন, বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ভৈরব পৌরসভার সকল শিক্ষার্থী।হয়ে ভৈরবের কাজ করছেন।পরিচ্ছন্নতা অভিযান, দীর্ঘ দিনের অসহযোগ আন্দোলনের কারণে ভৈরব শহর ও বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় ময়লার স্তূপে রুপ নিয়েছে।
তাই তারা নিজেদের উদ্যোগে এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছেন। যেহেতু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের আন্দোলনের মুখে দেশের মানুষের বিজয় অর্জন হয়েছে। তাই সব শ্রেণি-পেশা ও সকল রাজনৈতিক দলসহ সাধারণ মানুষকে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন।