ভৈরব প্রতিনিধি,
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির ২০২৪-২৬ নির্বাচন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে,নির্বাচনে আব্দুল্লাহ আল মামুন ৩৩৭ ভোট পেয়ে বিপুল ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন,তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাজী বজলুর রহমান পেয়েছেন ১৯৫ ভোট,আজ ভৈরব পৌর শহরের সরকারি কাদির বকস পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে নির্বাচন শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান এম এ মুহিত,নির্বাচনে হাজী মো.মোশাররফ হোসেন ২৬১ ভোট পেয়ে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হন,তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী মাসউদ উর রহমান পেয়েছেন ১৯০ ভোট। এবং মো. জাহিদুল হক জাবেদ ২৫৯ ভোট পেয়ে সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাজী এমরান মোল্লা তুহিন পেয়েছেন ২০৯ ভোট। এছাড়াও পরিচালক পদে ১৬জন প্রার্থীর মধ্যে ১৪জন নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা হলেন, মিজানুর রহমান সাদ্দাম৪৮২,মো.সোহেল বিল্লাহ৪৭৫,আরাফাত ভূইয়া,৪৭৪,দেলোয়ার হোসেন৪৬৬,মো. নাঈন ভূইয়া৪৬৫,জামিল আহমেদ,৪৬৪,মো. নিজাম উদ্দিন সরকার৪৬৪,তানভীর আহমেদ৪৬২,সৈকত আহমেদ জেমস৪৫৪,শরীফ নেওয়াজ ভূইয়া৪৪৬,হাজী মো. আলাউদ্দিন৪৩৯,আরিফ মাহমুদ,৪২৪,হাজী মো. সাজ্জাদ হোসেন মামুন৪২৩,মো. মিজানুর রহমান পাটোয়ারী৪১৮,ছাড়া সহযোগী সদস্যদের মধ্য থেকে চারজন পরিচালক বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এঁরা হলেন ভৈরবের সিনিয়র সাংবাদিক আবদুর রউফ, নিজাম মাহমুদ জুয়েল, মো. আবদুর রশিদ ও মো. আক্তারুজ্জামান। নির্বাচনে ৫৬১ জন ভোটারের মধ্যে ৫৩২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন বলে জানায় নির্বাচন কমিশন,তবে নির্বাচনকে ঘিরে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়। নির্বাচন শেষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সিনিয়র শিক্ষক মোঃ আলকাছ মিয়া,সন্তোষ প্রকাশ করে জানান,একটি উৎসবমুখর সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব রকম প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল। সুপ্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী নদীবন্দর এবং বাণিজ্যকেন্দ্র ভৈরবের ব্যবসায়ীরা যাতে তাদের ভোটাধিকারের মাধ্যমে সঠিক নেতৃত্ব বেছে নিতে পারেন, সেইজন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত ছিল নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে। তিনি একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনায় সার্বিক সহায়তার জন্য স্থানীয় রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, পুলিশ প্রশাসন ও গণমাধ্যমকর্মীসহ ভৈরববাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।