বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে টানা অতিবৃষ্টি ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক কৃষাণীদেরপ্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ ঈদুল আযহা উপলক্ষে অসহায়দের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ মানবতার আলোকবর্তিকা রাজু সরকার: ভৈরব পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে জনসেবার প্রতীক হয়ে উঠছেন সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী বাতিল হচ্ছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাচ্চাদের টিফিনের খাবার ফিডিং। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ফেসবুক লাইভে গালাগালি গালমন্দের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক যুবক গুরুতর আহত। পবিত্র ঈদ-উল আজহা উপলক্ষে নিসচা ভৈরব শাখার রোড ক্যাম্পেইন ও লিফলেট বিতরণ মাদকের প্রতিবাদ করায় কুলিয়ারচরে কাঠ ব্যবসায়ীকে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কুলিয়ারচরের বিএনপি নেতা খাইরুল ইসলাম বকুল। কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ল্যাব এইড হসপিটালের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পল্লী চিকিৎসকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের হয়রানির প্রতিবাদে ভৈরবে ফারিয়ার মানববন্ধনওস্মারকলিপি প্রদান।

ভৈরবে চেক প্রতারণার শিকার এলাকাবাসীর অভিযোগ মানিক মিয়া ও স্ত্রী মাহবুবার খপ্পরে সর্বস্বান্ত কয়েকটি পরিবার ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

ভৈরব প্রতিনিধিঃ
কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার আগানগর গ্রামের চেক প্রতারণার শিকার এলাকাবাসীরখপ্পরে পড়ে অনেক সাধারণ মানুষ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কৃষিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ সর্বস্বান্ত হলেও বিষয়টি যেন দেখার কেউ নেই। আর দীর্ঘদিন ধরে এই দাদন ব্যবসা চলতে থাকলেও বিষয়টি নিয়ে কেউ কোনো প্রতিবাদ না করায় দিন দিন বেড়েই চলেছে দাদন ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য।

জানা গেছে, উপজেলার আগানগর গ্রামের মানিক মিয়া ও তার স্ত্রী মাহবুবা ও বড় ভাই সামসু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে

চেক প্রতারণার শিকারএরসাথে জড়িত। তাদের খপ্পরে পড়ে চড়া সুদ দিতে গিয়ে এরেই মধ্যে অনেকেই সর্বস্বান্ত হয়েছে।
সম্প্রতি একই গ্রামের আসাদ মিয়ার স্ত্রী রোজেনা বেগম এঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন করেছেন।
তিনি অভিযোগে বলেন, তার প্রতিবেশী একই গ্রামের মৃত সোবহান মিয়ার ছেলে মানিক মিয়া তার স্ত্রী মাহবুববা এবং মৃত সোহবান মিয়ার ছেলে সামসু মিয়ার সাথে দীর্ঘদিনের আত্মীয়তার সুবাধে মানিক মিয়া প্রায়ই তাদের বাড়ীতে আসা যাওয়া করতো।

এভাবেই তারা সম্পর্ক গড়ে এবং এলাকার সহজ সরল লোকদের লোভ দেখিয়ে বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ তোলা হতো। ওই ঋণ ভুক্তভোগীদের কাউকে দিতেন না। বিনিময়ে লাখে পাঁচ হাজার টাকা কমিশন দিতেন যাদের নামে ঋণ তোলা হতো। ঋণ তুলতে গিয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে নেয়া হতো ব্যাংকের খালি চেক। এসবের কিছুই আচ করতে পারতো না ভুক্তভোগীরা। সরল বিশ্বাসে নিজের নামে অন্যকে ঋণ তুলে বর্তমানে বিপাকে পড়েছেন কয়েকটি পরিবার।
ভুক্তভোগী রোজিনা আক্তার আরও জানান, সরলতার সুযোগে তার নিজের নামে আশা এনজিও সদস্য নং—২১, গত বছরের ৯ এপ্রিল ১২ লাখ টাকা এবং বীজ এনজিও সদস্য নং ১৪০০৮৪৫ হইতে ৪ লাখ টাকা উত্তোলন করে এবং তার দেবর রাশিদ মিয়ার নামে গত বছরের ১৯ জুলাই, আশা এনজিও সদস্য নং ৬ হইতে ৪ লাখ টাকা এবং ব্র্যাক এনজিও সদস্য নং ১৩৭ বই হইতে গত বছরের ৫ জানুয়ারী ৮ লাখ টাকা, তার দেবরের স্ত্রী তানিয়ার নামে বীজ এনজিও সদস্য নং ১৪০০৮৫৩ হইতে ৩ লাখ টাকা ও তার মেয়ে জিপার নামে ব্র্যাক এনজিও সদস্য নং ১৪১ হইতে ২০২২ সালের ৫ ডিসেম্বর ৭ লাখ টাকা, তার মা রেহেনা বেগমের নামে ব্র্যাক এনজিও যাহার সদস্য নং ১৯২ হইতে ২০২৩ সালের ৬ ফেব্রয়ারী ১৮ লাখ টাকা। শুধুমাত্র ৩টি এনজিও (আশা,ব্র্যাক,বীজ) থেকে সর্বমোট ৫৬ লাখ টাকা উত্তোলন করে মানিক মিয়া ও তার স্ত্রী মাহবুবা তারা নিজেরা ভোগ পরিচালনা করে আসছিলো।
শর্ত ছিলো যে, মানিক মিয়া ও তার স্ত্রী উত্তোলনকৃত সকল টাকা কিস্তির মাধ্যমে পরিশোধ করিবে। এর মধ্যে মোট ১৮ লাখ টাকার কিস্তি মানিক মিয়া ও তার স্ত্রী মাহবুবা কিছুদিন বর্ণিত সমিতি সমূহকে প্রদান করিলেও বর্তমানে তারা উক্ত সমিতির কিস্তি নিয়মিতভাবে পরিশোধ করিতেছে না। মানিক ও তার স্ত্রী মাহবুবা কর্তৃক নিয়মিতভাবে কিস্তির টাকা পরিশোধ না করার কারণে সমিতি হইতে সমিতিগুলোর কতৃর্পক্ষ কিস্তির টাকা পরিশোধ করার জন্য আমাকে সহ আমার মা, মেয়ে,দেবর ও দেবরের স্ত্রী গণকে সমিতির লোকজন চাপ প্রয়োগ করিয়া আসিতেছে। পরবতীর্তে মানিক ও তার স্ত্রী মাহবুবাকে বার বার তাগাদা দিলেও বাকী কিস্তির টাকা দেম দিচ্ছি বলে তালবাহানা করিতে থাকে। মানিক ও তার স্ত্রী মাহবুবা বাকী কিস্তির টাকা দিবে বলে মানিক মিয়ার নিকট আমার ব্যাংকের চেক বই জমা রাখি। কিন্তু মানিক ও তার স্ত্রী মাহবুবা আমাদের ব্যাংকের চেক বই থেকে দুটি চেক আলাদা করে আমাদের স্বাক্ষরকৃত দুটি চেকে ৫০ লাখ করে ১কোটি টাকার মিথ্যা বানোয়াট মামলা দায়ের করেন এবং আমাদের নামে উত্তোলন করা টাকাও পরিশোধ করছেন না। বরং এবিষয়ে ভুক্তভোগীরা মানিক ও তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে তারা খুন জখমের হুমকি প্রদান করে। এ ঘটনায় জড়িত অভিযুক্ত প্রতারক মানিক মিয়া ও তার স্ত্রী মাহবুবা এবং তার বড় ভাই সামসু মিয়ার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা ও সঠিক বিচারের দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।
এঘটনায় আজ সোমবার বিকেলে আগানগর গ্রামে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন।
এসময় বক্তব্য রাখেন হান্নান মিয়া, ফজলু মিয়া সহ বেশ কয়েকজন নারী পুরুষ। তারা বলেন, মানিক মিয়া ও তার স্ত্রী মাহবুবা এলাকার অনেক সাধারণ মানুষ কে পথে বসিয়েছে। তারা দাদন ব্যবসায়ী এবং মামলাবাজ। তাদের বিরুদ্ধে এলাকায় অনেক অভিযোগ রয়েছে তারা সাধারণ মানুষ কে সরলতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন ভাবে প্রতারণার ফাঁদ তৈরী করে সর্ব শান্ত করে যাচ্ছেন।
উক্ত ঘটনায় মানিক মিয়ার বড় ভাই বজলু মিয়া বলেন, উক্ত ঘটনায় বেশ কয়েকবার বিচার শালিসি হয়েছে। মানিক মিয়া ও তার স্ত্রী মাহবুবা বাড়ি ঘর তালা মেড়ে পালিয়েছে। তার সাথে আমার কোনো যোগাযোগ নেই।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৪৭ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০০ অপরাহ্ণ
  • ১৬:৩৫ অপরাহ্ণ
  • ১৮:৪৬ অপরাহ্ণ
  • ২০:১১ অপরাহ্ণ
  • ৫:১০ পূর্বাহ্ণ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102