ভৈরব প্রতিনিধ:
অদ্য ১৫/০৩/২০২৬ তারিখ
ভৈরবের বাস-ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকারের মালিক-শ্রমিক সমিতির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় মোটরসাইকেল-সিএনজি-অটোরিক্সার বেশ কয়েকজন চালকদের সাথে কথা বলে হাইওয়েপুলিশ জানান , জুয়েল স্বাধীন বাংলাএডমিনকে। তারা জানায় যে. ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখের পূর্বে মাসিক মাসওয়ারা দিয়ে সিএনজি/থ্রিহুইলার চলতো। ৫ আগস্ট ২০২৪খ্রিঃ এর পর হতে অদ্যবধি পর্যন্ত তারা কোন দালালের মাধ্যমে মাসিক মাসওয়ারা দেয় না। বর্তমানে সিএনজি-অটোরিক্সা চালকরা সিরিয়ালম্যানকে ১০ টাকা দেয় যার সাথে ভৈরব হাইওযে পুলিশের কোন সম্পর্ক নেই। এছাড়া চেকপোস্টের নামে হয়রানির বিষয়টিও সঠিক নয়। চেকপোস্ট হাইওয়ে পুলিশের একটি নিয়মিত কার্যক্রম। উল্লেখ্য যে, গত ১৩/০৩/২০২৬খ্রিঃ ভৈরব হাইওয়ে থানা পুলিশের ইফতার মাহফিলে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার ভৈরব উপজেলার প্রতিনিধি জনাব আসাদুজ্জামান ফারুককে দাওয়াত না দেয়ার কারণে তিনি তার ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন যে, ভৈবর হাইওয়ে থানা কর্তৃপক্ষের ইফতার আয়োজনে আজ যেসব সাংবাদিকদের দাওয়াত দিলেন তারা ছাড়া আর কোন সাংবাদিক কি এই উপজেলাতে নেই। দাওয়াতের তালিকাটা ওসি সাহেব কোথায় পেলেন বা কে দিলেন জানতে চাই” এতে বুঝা যায় যে উক্ত সাংবাদিককে ভৈরব হাইওয়ে পুলিশের আয়োজিত ইফতার মাহফিলে দওয়াত না দেয়ার কারণের
বিরাজাভাজন হয়ে তিনি হাইওয়ে পুলিশের নামে মিথ্যা, অসত্য ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেন বলে জানান হাইওয়েওপুলিশ । এ বিষযে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার ভৈরব উপজেলা প্রতিনিধি জনাব আসাদুজ্জামান ফারুক এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি উক্ত সংবাদের সত্যতার বিষয়ে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত- রেকর্ড-স্থিরচিত্র-ভিডিও সরবরাহ করতে ব্যর্থ হন বলে জানান হাইওয়ে ওসি । এছা সংবাদের শেষাংশে আমাকে উদ্ধৃত করে যে বক্তব্য উপস্থাপন করা হযেছে তাও অসত্য এবং মনগড়া। কারণ প্রকাশিত সংবাদের বিষযে এই প্রতিনিধি আমার সাথে কোন কথা বলেননি। এরূপ অসত্য-বানোয়াট-ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশ তথা হাইওয়ে পুলিশের ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুন্ন করার হীন প্রচেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। নির্ভরযোগ্য তথ্য-উপাত্ত ব্যতীত হাইওয়ে পুলিশের নামে যেকোন ধরনের সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে ভবিষ্যতে আরো সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ করেন ভৈরব হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ