কিশোরগঞ্জ ভৈরব প্রতিনিধঃ
পবিত্র মাহে রমজানের আত্মশুদ্ধি, সংযম ও ভ্রাতৃত্ববোধের বার্তা ছড়িয়ে দিতে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে অনুষ্ঠিত হয়েছে খেলাফত মজলিসের এক সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিল। রমজানের এই বরকতময় সন্ধ্যায় ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃত্বের মিলনমেলায় এক হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়, যেখানে ইসলামী মূল্যবোধ, নৈতিকতা এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন খেলাফত মজলিস ভৈরব উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা সাইফুল ইসলাম সাহেল। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি শায়খুল হাদীস মাওলানা আব্দুল আহাদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রমজান শুধু রোজা রাখার মাস নয়, এটি আত্মশুদ্ধি, আত্মসংযম ও মানবকল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার মাস। তিনি সমাজে ন্যায়, ইনসাফ ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক মাওলানা মাসউদুল হাসান, ভৈরব পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, ইমাম উলামা পরিষদ ভৈরবের সভাপতি মাওলানা আব্দুল্লাহ আল আমীন, জামায়াতে ইসলামী ভৈরব পৌর শাখার সভাপতি শাহ শাহজাহান সরকার, খেলাফত মজলিস ভৈরব পৌর শাখার সভাপতি ডাক্তার মাওলানা আনাস মাহমুদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ভৈরব পৌর শাখার সভাপতি মাওলানা মাহবুবুর রহমান, এনসিপি নেতা রিশান কবীর, ইসলামী আন্দোলনের মনির হোসাইন, ভৈরব চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি জাহিদুল হক জাবেদ এবং কালিপুর ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা তাওহিদুল ইসলাম।
খেলাফত মজলিস ভৈরব উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শফিকুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি হাজী মো. জামাল উদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আল আমীন সাদী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি আশরাফুল ইসলাম রাদিফ, পৌর সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি ইকবাল ফারাবী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাওলানা জুনাইদ আহমাদ শাবীব, স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ডা. মুস্তাফিজুর রহমান, বায়তুলমাল সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, যুব বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম, উলামা বিষয়ক সম্পাদক মুফতি সাঈদ শাহ, আবুল বাশার, আরাফাত খন্দকার নিশাত, আবু বকর সিদ্দিক এবং ইসলামী ছাত্র মজলিস নেতা গাজী সামিউল হক।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, রমজান মুসলিম উম্মাহর জন্য ঐক্য, সহমর্মিতা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। সমাজে ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করতে হলে ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি সামাজিক জীবনেও ইসলামের আদর্শকে ধারণ করতে হবে।
অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়। এরপর উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে ইফতার সম্পন্ন করা হয়।