ভৈরব প্রতিনিধিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জহিরুল্লাহ হত্যার ঘটনায়থানায় মামলা হলেপুলিশওপ্রতিপক্ষের ভয়েগ্রামশূন্য মানুষ ঘরবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগপাওয়া গেছে উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের মিন্দিপুরগ্রামেগত৭আগস্ট হত্যার ঘটনাটি ঘটে,ঘটনারপর থেকে দিন রাত২৪ঘন্টায় ক্ষনে ক্ষনে দেড় মাস যাবতওইগ্রামে চলছে ভাঙচুর,গত বুধবার৭আগস্ট দুপুর ১টার দিকে উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের মেন্দিপুর গ্রামেএঘটনা ঘটে,স্থানীয় সূত্রে জানা যায় মঙ্গলবার৬আগস্ট বিকেলে বিএনপির নেতাকর্মীদের আনন্দ মিছিলকে কেন্দ্র করে মেন্দিপুরপূর্বপাড়াএলাকার সাহু মিয়ার বাড়িওআক্কাছের বাড়ির লোকজনের মধ্য কথা,কাটাকাটি হয়পরেএর জেরধরে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়একপক্ষ সাদেকপুর ইউনিয়নের সাহুর বাড়ির লোকজন আরেক পক্ষ সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানওবিএনপি নেতা তোফাজ্জল হকের সমর্থক আক্কাছ মিয়ার বাড়ির লোকজন সংঘর্ষের হন ঘটনাটি পরের দিন বিকেলে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়,ঘটনার পরের দিন সকালে দুইপক্ষের লোকজন পুনরায় সংঘর্ষে লিপ্ত হনএসময় প্রতিপক্ষের হামলায়,সাহুর বাড়ির জহিরুল্লাহ নামেরএক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তুচ্ছ ঘটনায় জহিরুল্লাহ নিহত হয়এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেপ্রতিদিনই প্রকাশ্যে বসতবাড়ি ভাঙচুর, লুটপাটের ঘটনা ঘটেছেএমন বর্বরতাওঅমানবিক ঘটনায় সাধারণ মানুষ হতাশ সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানওবিএনপি নেতা তোফাজ্জল হোসেন বলেন,জহিরুল্লাহর মৃত্যুর বিষয়টি দুঃখজনকভুক্তভোগী আক্কাস মিয়া বলেন,ভুক্তভোগী জোহরা বেগম বলেন,এব্যাপারে সাদেকপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান সরকার শেফাত উল্লাহ বলেন,দুইপক্ষের লোকজনপুনরায় যদি মীমাংসার জন্য আসে তাহলে,মিমাংসা করে দেওয়া হবে