ভৈরব প্রতিনিধ
সোমবার দুপুরে দিকে ৫বছর বয়সী রাইসুলের লাশটি ভেসে উঠে নদীতে
এর আগে সকালে ট্রলার ডুবির ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানা (৩৫) এবং ভৈরব পৌর শহরের আমলাপাড়া এলাকার বেলন দে (৩৮) এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিকালে উদ্ধার হওয়া রাইসুল পুলিশের কনস্টেবল সোহেল রানার ছেলে। দুর্ঘটনায় সোহেল রানা, তার স্ত্রী ও দুই ছেলেমেয়ে সবাই প্রাণ হারিয়েছেন।

সোমবার মোট তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে এ দুর্ঘটনায় মোট নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, “যেহেতু এ দুর্ঘটনায় নিখোঁজ নিয়ে আর কোনো অভিযোগ নেই, তাই উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত করা হয়েছে।”
পুলিশ জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে ভৈরব ব্রিজের নিচ থেকে ইঞ্জিনচালিত ট্রলার নিয়ে মেঘনা নদীতে বেড়াতে বের হন কয়েকজন। ইফতারের আগ মুহূর্তে ট্রলারটি চরসোনারামপুর এলাকায় পৌঁছালে একটি বালুবোঝাই নৌযানের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায়।