রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুলিয়ারচরে ২ কেজি গাঁজাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক। ২৮ কেজি গাঁজাসহ কুলিয়ারচরের এক বিএনপি নেতা ডিএনসি কর্তৃক আটকের পর দল থেকে বহিষ্কার, ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক নদীতে, নিহত ১ হাইওয়ে পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে ৬ হাজার জনবল ও নতুন যানবাহনের প্রস্তাব। (শোক সংবাদ)কিশোরগঞ্জ ভৈরবে শ্রীনগর ইউনিয়নের বধু নগর গ্রামের জাহের মেম্বারের বাবা ভৈরব কুলিয়ারচরে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করলেন প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম। ভৈরবে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষ: নিভে গেলো আরেকটি জীবনের প্রদীপ। কুলিয়ারচরে কান্দোলিয়ায় ফরিদপুর আক্তার শাহ কলন্দরের মাজারে জিয়ারত,দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত ভৈরবের আকাশে শোকের ছায়া,নিভে গেল এক আলোকবর্তিকা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব মোঃ রফিকুল ইসলামের ইন্তেকাল। ভৈরবে লাঞ্ছনার আগুনে ক্ষতবিক্ষত নজরুল ইসলাম এর পরিবার,ন্যায়বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন।

মাটি খুঁড়লেই বেরিয়ে আসছে প্রাচীন পাথর সহ মাটির হাঁড়ি।

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪
  • ২০৪ বার পড়া হয়েছে

রেজাউল আলম বিপ্লব (বেলাবো) প্রতিনিধি
প্রায় হাজার বছর আগের কথা। নরসিংদীর বেলাব উপজেলার বাজনাব ইউনিয়নের চন্দনপুর গ্রামের ওপর দিয়ে কয়রা নামে একটি বিশাল নদী বয়ে যেত। এই নদীতে চলত লঞ্চ ও বড় বড় নৌকা। নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্য করতে দূরদূরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা আসতেন। কিন্তু কালের গতিতে নদীটি হারিয়ে গেছে। নদীর স্মৃতি হিসেবে চন্দনপুরের এক পাশে রয়ে গেছে ‘কয়রার খাল’। এই খালের কয়েক গজ দূরে মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে আসছে বিশাল গাছের টুকরো, ছোট-বড় পাথর ও মাটির তৈরি হাঁড়ির অংশবিশেষ। স্থানীয়দের ধারণা, এগুলো বহু বছর আগের জিনিস, যা কয়রা নদীর তলদেশে ছিল। এসব সামগ্রী গবেষণা করলে হয়তো প্রত্ন এলাকা উয়ারী-বটেশ্বরের মতো চন্দনপুরেও আবিষ্কার হতে পারে হাজার বছর আগের মানুষের জীবনযাত্রার চিত্র।

চন্দনপুর গ্রাম থেকে মাইল দুয়েক দূরে প্রত্ন এলাকা উয়ারী-বটেশ্বর। ওই এলাকায় ইতোমধ্যে আড়াই হাজার বছর আগের প্রাচীন নানা নিদর্শন ও স্থাপনা আবিষ্কার করা হয়েছে। এ কারণে চন্দনপুর গ্রামে মাটি খননের পর বের হওয়া নিদর্শনগুলো প্রাচীন যুগের বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাদের

দাবি, এগুলো গবেষণা করলে অথবা আরও মাটি খুঁড়লে হয়তো মূল্যবান সামগ্রী বের হতে পারে এবং উয়ারী-বটেশ্বর প্রত্ন এলাকায় নতুন কিছু যোগ হতে পারে। জানা গেছে, চন্দনপুর গ্রামের

কয়েকজনের প্রায় ২০ বিঘা জমিতে দিঘি তৈরির জন্য মাটি খননের কাজ শুরু হয় এক মাস আগে। শ্রমিকরা মাটি খোঁড়ার সময় দেখেন, মাটির নিচ থেকে বিশাল আকৃতির গাছের অংশ বেরিয়ে আসছে; যেগুলো আনুমানিক ৭ থেকে ৮০ হাত লম্বা। এ ছাড়া উঠে আসছে ছোট-বড় পাথর। তবে এখন পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসন কিংবা প্রত্নতত্ত্ববিদরা ওই এলাকা পরিদর্শন করেননি। স্থানীয়রা এসব গাছ ও গাছের টুকরো সংগ্রহ করে বাড়িতে নিয়ে লাকড়ি হিসেবে ব্যবহার করছেন। অনেকে আবার হাজার বছর আগের মূল্যবান গাছ মনে করে বাড়িতে সংরক্ষণ করছেন। পাথর ও মাটির তৈরি জিনিসপত্রও যে যার মতো নিয়ে যাচ্ছেন।

স্থানীয়রা জানান, যে জায়গা দিয়ে কয়রা নদী প্রবহমান ছিল, সেখানে এখন ফসলি জমি, বাড়িঘর, ইটভাটা, রাস্তাঘাটসহ নানা স্থাপনা। এলাকাবাসীর ধারণা, হাজার বছর আগে বড় কোনো ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে মাটি ওলটপালট হয়।
গ্রামের মাটিও ওলটপালট হয়। এতে কয়রা নদী ভরাট হয়ে যায়। অনেক গাছ, পাথর ও মাটির জিনিসপত্র নদীর তলদেশে ছিল। এখন মাটি খুঁড়তেই এগুলো বেরিয়ে আসছে। চন্দনপুর গ্রামের ষাটোর্ধ্ব মঞ্জু খন্দকার বলেন, শ্রমিকরা মাটি খননের সময় একের পর এক বড় বড় গাছ, পাথর ও মাটির তৈরি কিছু হাঁড়িপাতিল ও হাঁড়িপাতিলের ভগ্নাংশ বের হচ্ছে। এগুলো স্থানীয়রা বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছে, কিছু আবার জমিতেই পড়ে আছে। আমার মনে হয়, এসব জিনিস প্রাচীন ও মূল্যবান। চন্দপুর প্রত্নতাত্ত্বিক ত্তক সামগ্রী সংগ্রাহক ও লেখক মুহাম্মদ হাবিবুল্লা পাঠান বলেন, উয়ারী বটেশ্বর ও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে এ পর্যন্ত মাটির নিচ থেকে অনেক প্রত্নসামগ্রী আবিষ্কৃত হয়েছে। চন্দনপুর উয়ারী- বটেশ্বর গ্রামের কাছাকাছি একটি গ্রাম। এখানে বর্তমানে মাটি খননের পর যেসব পাথর, মাটির তৈরি হাঁড়িপাতিল বের হয়ে আসছে, এগুলো অব্যশই গবেষণার দাবি রাখে। ওয়ারী গ্রামের পাশ দিয়ে প্রাচীনকালে কয়রা নদী প্রবাহিত ছিল। নদীটি ছিল প্রশস্ত। মাটি খননে যেসব বস্তু বের হয়ে আসছে, সেগুলো অস্তিত্বহীন কয়রা নদীর তলদেশে শত শত বছর ধরে মাটিচাপা মূল্যবান সামগ্রীও হতে পারে।

বেলাব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নাজমুল হাসান বলেন, কেউ এ ব্যাপারে লিখিতভাবে আমাদের অবগত করলে আমরা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে জানাব।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:২২ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০২ অপরাহ্ণ
  • ১৬:৩০ অপরাহ্ণ
  • ১৮:২৪ অপরাহ্ণ
  • ১৯:৪০ অপরাহ্ণ
  • ৫:৩৭ পূর্বাহ্ণ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102