কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এক ফুট জায়গার জন্য বড় ভাইকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের নামা পাড়া মোল্লা বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
Google News গুগল নিউজে প্রতিদিনের জুয়েল স্বাধীন বাংলা খবর পড়তে ফলো করুন জুয়েল স্বাধীন বাংলা পেইজে ভিডিও ফলো করুন
নিহত লিলু মিয়া গজারিয়া ইউনিয়নের নামা পাড়া মোল্লা বাড়ি এলাকার বাসিন্দা। ছোটভাই স্বপন মিয়া তারই সহোদর।
ভৈরব কুলিয়ারচর সার্কেল এএসপি দেলোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন।
ভৈরব থানার এস আই কালাম তিনি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। ভাইয়ে ভাইয়ে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব জানতে পেরেছি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।
ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা চিকিৎসক ডাক্তার বুলবুল আহম্মদ বলেন, বেলা সাড়ে ১২টায় লিলু মিয়া নামের একজন ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসা করতে গিয়ে তাকে মৃত পাওয়া যায়। ভাই-ভাইয়ে দ্বন্দ্বে আহত হয়েছিল বলে শুনেছি। হাতে আঘাতের চিহ্ন পেয়েছি। পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
নিহতের ছেলে নজরুল বলেন, আমাদের বাবা-চাচারা চার ভাই। বাড়ির পাশে আমার বাবা আর স্বপন কাকা একটি জমি কেনেন। জমির সমান বণ্টন করে দিলে কাকা স্বপন মিয়া ১ ফুট জমি বেশি চান। আমার বাবা জায়গা না দিতে চাইলে স্বপন কাকা তার চাচা শ্বশুর ইদ্দিস মিয়া, শালা দানা মিয়া ও সায়দুর রহমানসহ সাঙ্গপাঙ্গরা হামলা চালায়। তারা আমাদেরসহ বাবাকে এলোপাতাড়ি মারতে থাকে। এতে বাবা গুরুত্বর আহত হয়। বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের আত্মীয় সাদু মোল্লা জানান, আজ সকালে জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের দ্বন্দ্ব হয়। আমরা স্বজনরা সালিশে দরবারে বসলে নিহতের ভাই স্বপনের শ্বশুর বাড়ির লোকজন হামলা চালিয়ে লিলুকে আহত করে। পরে তাকে হাসপাতালে পাঠালে তিনি মারা যান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইদ্রিস মিয়া বলেন, আমি স্বপনের সঙ্গে তার বাড়িতে গিয়েছি। কিন্তু কোনোরকম মারামারি করিনি। স্বপনের সঙ্গে তার ভাইয়ের বাগ্বিতণ্ডা হয়েছে। আমাকে একটা পক্ষ ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।https://youtu.be/CFPWexsvJas?si=kgqwycbb8m8U_h8i