চন্দ্রগ্রহণের সময় যে ৪ আমল করতে বলেছেন নবীজি
এ বছরের শেষ চন্দ্রগ্রহণ চলছে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ থেকেও এ চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাচ্ছে। চন্দ্রগ্রহণের সময় নবীজি আমল করতেন। উম্মতকেও সে আমল শিখিয়েছেন।
ভৈরব প্রতিনিধিঃ
চন্দ্র-সূর্য মহান আল্লাহর অনন্য এক সৃষ্টি।
চন্দ্র-সূর্য মহান আল্লাহর অনন্য এক সৃষ্টি।
মুফতি আবদুল্লাহ তামিম
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে চন্দ্রগ্রহণটি শুরু হয়ে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোর পর্যন্ত চলবে।
আরও পড়ুন: পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুরু (লাইভ)
চন্দ্রগ্রহণকে আরবিতে ‘খুসুফ’ বলা হয়। গ্রহণ লাগলে সূর্য যেমন অন্ধকার ছায়ার আবর্তে পতিত হয়ে অন্ধকার হয়ে যায়, তেমনি চন্দ্রও বছরে দুবার কক্ষপথে অন্ধকারের ছায়ায় আচ্ছাদিত হয়ে থাকে। তার আংশিক রূপ কখনো দৃশ্যমান হয়। আবার কখনো সার্বিক রূপ দেখা যায়। চন্দ্রের এ কালো রং বা অন্ধকারের হাতছানিকেই চন্দ্রগ্রহণরূপে আখ্যায়িত করা হয়।চন্দ্র-সূর্য মহান আল্লাহর অনন্য এক সৃষ্টি। পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে তিনি সূর্যকে মাধ্যম বানিয়েছেন। চাঁদের মধ্যেও রেখেছেন মানুষের নানা উপকার। চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই; সূর্য থেকে আলো গ্রহণ করেই পৃথিবীতে সে স্নিগ্ধ আলো ছড়ায়। সেদিকে ইঙ্গিত করেই আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তিনিই সত্তা, যিনি সূর্যকে কিরণোজ্জ্বল ও চাঁদকে স্নিগ্ধ আলোয় আলোকিত করেছেন।’ (সুরা: ইউনুস, আয়াত ৫)চন্দ্রগ্রহণের সময় ৪ আমল
হজরত মুগিরা ইবনে শুবা রা. থেকে বর্ণিত রসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দুটি নিদর্শন। কারো মৃত্যু বা জন্মের কারণে সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হয় না। কাজেই যখন তোমরা তা দেখবে তখন ১. তোমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করবে; ২. তার মহত্ব ঘোষণা করবে, তাকবির বলবে; ৩. নামাজ আদায় করবে এবং ৪. সদকা প্রদান করবে।’ (বোখারি ১০৪০, আবু দাউদ ১১৭৭)