ভৈরব প্রতিনিধিঃ
ভৈরবে পুলিশের দাবীকৃত ১ লাখ টাকা না দেয়ায় দম্পতি মোহাম্মদ আলী ও তার স্ত্রী স্মৃতি বেগমের বিরুদ্ধে মিথ্যা মাদক মামলা দিয়ে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার দাবী করেছে ভোক্তভোগী পরিবার,আজ শুক্রবার বেলা১১টার দিকে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন, বিএমইউজে,ভৈরব শাখা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ভোক্তভোগী মোহাম্মদ আলী ও তার স্ত্রী স্মৃতি বেগমসহ স্বজনরা জানান,তার ভাই ও ভাসুর আকবর একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী,তাদের সাথে পারিবারিক রমজানের শুরর দিকে ঝগড়া হয়,ঝগড়ার কয়েক দিন পর গত ৮ মার্চ তার ভাই আকবরের বাড়ি থেকে ভৈরব থানার উপ-পরিদর্শক আল-মামুন ও শ্যামল দেবনাথ পরিত্যক্ত অবস্থায় ২০ কেজি গাজাঁ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়,কিন্ত এ ঘটনায় পুলিশ আকবর ও রুবির নামে মামলা না দিয়ে আমাদের কে নানাভাবে হয়রানী করে আসছে এবং ১ লাখ টাকা দাবী করে আসছে, আমি অটোরিক্সা চালায় এবং আমার স্ত্রী পাল সেলাই করে কোন রকমে সংসার চালায়,আমাদের ৩টি সন্তান রয়েছে,তাই আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উপ-পরিদর্শক আল-মামুন আমাকে ফোনে একাধিকবার হুমকি দেয় যে টাকা না দিলে আমাদের কে উক্ত মাদক মামলার আসামী করা হবে,এর পর রাত আনুমানিক ১ টার দিকে উপ-পরিদর্শক আল-মামুন আসাকে আমার বাড়ি থেকে আটক করে পুনরায় ১ লাখ টাকা দাবী করে,পরে ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে আমি তার কাছ থেকে ছাড়া পায়,কিন্ত পরে জানতে পারি আকবর ও রুবির যোগ সাজশে করে আমাদের কে মাদকে মামলার আসামী করা হয়েছে,তারা আরো জানান পুলিশের হয়রানীর কারনে তারা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেনএতে করে স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে না পারায় পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন,তাই উক্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাও পুলিশ মহা-পরিদর্শক,ডিআইজি ও কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপারসহ সরকারের কাছে দাবী জানানএ বিষয়ে ভৈরব থানার উপ-পরিদর্শক আল মামুন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,মামলার বাদী শ্যামল চ্দ্র দেবনাথ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মাদক উদ্ধারের১ দিন পর মাদক মামলা দায়ের করেছি,তখন আপনারা কোথায় ছিলেন? এ বিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার ফুয়াদ রোহানী জানান,কেউ এ ধরনের কাজ করলে ডিপার্টমেন্ট দায় না বলে ফোন কেটে দেন।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হাসান চৌধুরীর মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।