ভৈরব প্রতিনিধঃ
ভৈরব হাইওয়ে থানার ওসি মোঃ সাজু মিয়ার বলেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অন্যায়ের প্রেক্ষাপটে ঝিমিয়ে যাওয়া সাধারণ পুলিশের মাঝে যে দূরত্বটা তৈরি হয়েছে
কমিউনিটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন করার জন্য নতুন করে কমিটি পুলিশ গঠন করা প্রয়োজন একটি দেশের উন্নয়ন নির্ভর করে অধিকাংশই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যে দেশে যত বেশি উন্নত সে দেশ তত বেশি উন্নত, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো না হলে সে দেশ তত বেশি পিছিয়ে যাই ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে সকল দিকে। নতুন কমিটি গঠনের মূল উদ্দেশ্য মাদক দমন করা, আলোচনা সভায় মাইক্রো স্ট্যান্ড সদস্যরা ঢাকা সিলেট মহাসড়কের সিএনজি চলাচল বন্ধ করার জন্য।
কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম পুলিশই জনতা ও জনতাই পুলিশ” এ মূলমন্ত্রের ভিত্তিতেই কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ এবং জনগণ এই দেশের মালিক। সুতরাং জনগণকে সাথে নিয়ে অপরাধ নির্মূলে ভূমিকা রাখা জরুরী।
কমিউনিটি পুলিশিং হচ্ছে অপরাধ সমস্যা সমাধানে পুলিশ ও জনগণের যৌথ অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠার। আমাদের দেশে পুলিশী কর্মকাণ্ডে জনগণের অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কার্যকরভাবে অপরাধ প্রতিরোধের জন্য কমিউনিটি পুলিশিং ধারণা গ্রহণ করা হয়েছে। কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থায় কমিউনিটির সদস্যগণ, সমাজের বিভিন্ন সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং পুলিশের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে অপরাধ প্রতিরোধ ও জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কমিউনিটি পুলিশিং মূলত একটি প্রতিরোধমূলক পুলিশি ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় অপরাধের কারণগুলো অনুসন্ধান করে সেগুলো দূর করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় । অপরাধের কারণগুলো দূর করা যেহেতু পুলিশের একার পক্ষে সম্ভব নয় তাই এই কাজে অন্যান্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করা হয়। কমিউনিটি পুলিশিং এর যাবতীয় কর্মকাণ্ড অপরাধ প্রতিরোধ তথা অপরাধ যাতে ঘটতে না পারে সেই লক্ষ্যে পরিচালিত হয়। কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থার মাধ্যমে পুলিশ জনগণকে নিজ নিজ এলাকার অপরাধগুলো প্রতিরোধ করতে পারে তার জন্য আইনী পরামর্শ দেওয়া, অপরাধ সম্পর্কে সচেতন করা, অপরাধকর্ম সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য বা পরামর্শ দেওয়া ইত্যাদির
ভৈরব মাইক্রো স্ট্যান্ড সিলেট স্ট্যান্ড লোকাল স্ট্যান্ড এই সকল সংগঠনের সাথে আলোচনা করেন, জনসাধারণ পুলিশের মাঝখানে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য নতুন কমিটি গঠন করতে হলে ২ লক্ষ ১৩ হাজার প্লাস পুলিশের মাধ্যমে ১৮ কোটি প্লাস জনসাধারণের সেবা দেওয়া অসম্ভব না বলেই সিনিয়র কর্মকর্তাদের নির্দেশে নতুন কমিটি গঠনের জন্য মাইক্রো স্ট্যান্ডার সংগঠনের সাথে আলোচনা করেন। মূল উদ্দেশ্য হলো মাদক দমন করা,ভিডিও দেখতে জুয়েল স্বাধীন বাংলা পেইজে ক্লিক করুন।